মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

গ্রাম আদালত

ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত প্রতি সপ্তাহের বৃহস্প্রতিবার কাযক্রম পরিচালনা করে।

 

উদেশ্য:

১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষ্যদগুলোকে বিচার সাম্পাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিচার পদ্ধতির সান্তিপূণ নিস্পত্তি ও বিচারকায ব্যাবস্থা সহজ করার উদ্দেশ্যে গ্রাম আদালত সৃস্টি করা হয়েছে।

 

গঠন:

চেয়ারম্যান, বাদী ও বিবাদী পক্ষের ২ জন করে মোট ৫ জন নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়।

গ্রাম আদালতের এখতিয়ার: ইউনিয়ন পরিষদ ফৌজদারী ও দেওয়ানী এই ২ ধরনের মামলার বিচার করতে পারবে।

গ্রাম আদালতের স্থান নিবাচন: যে ইউনিয়নে এলাকার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সে ইউনিয়নে গ্রাম আদালত গটিত হয়।

গ্রাম আদালতের ক্ষমতা: সবোচ্চ ৫.০০০ টাকা ক্ষতি পূরনের মামলা করতে পারে।

গ্রাম আদলকের সিদ্ধান্ত: মামলার রায় প্রকাশ্য ঘোষনা করতে হবে।রায় ৫/৪ ভোটে হলে আপিল করা যাবে না আর ৩/২ ভোটে হলে আপিল করা যাবে।

 

গ্রামাঞ্চলের কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিরোধ স্হানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় যে আদালত গঠিত হয় যে আদালতকে গ্রাম আদালত বলে । গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর আওতায় গ্রাম আদালত গঠিত হবে । কম সময়ে, অল্প খরচে, ছোট ছোট বিরোধ দ্রুত ও স্হানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করাই গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য ।গত ০৯ মে ২০০৬ তারিখ হতে গ্রাম আদালত আইন কার্যকর হয়েছে । ৫ (পাচ) জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয় । এরা হলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আবেদনকারীর পক্ষের ২ জন প্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি) প্রতিবাদীর পক্ষের ২ জন প্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি)

 ফৌজদারী বিষয়

১। চুরি সংক্রান্ত বিষয়াদি

২। ঋগড়া -বিবাদ

৩। শক্রতামূলক ফসল ,বাডি বা অন্য কিছুর ক্ষতি সাধন

৪। গবাদী পশু হত্যা বা ক্ষতিসাধন

৫। প্রতারণামুলক বিষয়াদি

৬। শারিরীক আক্রমণ ,ক্ষতি সাধন, বল প্রয়োগ করে ফুলা ও জখম করা ।

৭। গচিছত কোনো মুল্যবান দ্রব্য বা জমি আত্নসাৎ

 দেওয়ানী বিষয়

১। স্হাবর সম্পতি দখল পুনরুদ্ধার

২। অস্হাবর সম্পত্তি বা তার মূল্য আদায়

৩। অস্হাবর সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়

৪। কৃষি শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরী পরিশোধ ও ক্ষতিপুরণ আদায়ের মামলা

৫। চুক্তি বা দলিল মূল্যে প্রাপ্য টাকা আদায়


Share with :

Facebook Twitter